ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে চ্যালেঞ্জ আছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার বাজেটের নানা দিক এখনও খতিয়ে দেখছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। রোববার (২১ জুন) রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) বাজেট সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, সরকার ব্যাংকঋণ নেওয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। বিকল্প অর্থায়ন নিয়ে ভাবা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সরকার দায়িত্বে এলে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম রাজনৈতিক লোকজন দিয়ে পরিচালনা করতে চায়। নতুন সরকার ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে সে পথে হাঁটেনি। সরাসরি যেন সুবিধাভোগীরা টাকা পান, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বর্তমান বাজেটকে পারফেক্ট না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার বাজেটের নানা দিক এখনও খতিয়ে দেখছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। কর ও জিডিপি অনুপাত ভালো না। পুরো বিশ্বেই বর্তমানে বিদেশি ঋণ কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতির মধ্যে আমাদের বাজেট ঘোষণা করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আগের সরকার শুধু ৫০ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিলই রেখে গেছে। তার উপর মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে ব্যয় বেড়েছে। ফলে মানুষের পুরো অর্থনৈতিক কাঠামোকে আমরা নতুনভাবে দেখছি। এনবিআরের পলিসি বিভাগ আমলাদের দিয়ে চলবে না। সেখানে কর বিশেষজ্ঞরা দায়িত্ব পাবেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের এনবিআরকে সচল করতে হবে। অনেকে ট্যাক্স না দেয়াটাকে ভালো কিছু ভাবেন। এই মানসিকতা থাকলে দেশ এগোবে না। যে কোনো ব্যক্তি কোনো পণ্য রফতানি করতে চাইলেই বন্ড সুবিধা পাবেন। আর বন্ড না নিলে কর সুবিধা দেওয়া হবে ।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছর মোট বাজেটের ২ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করা হয়েছে। আমি বলবো না এটি কম হয়েছে। কিন্ত ৫ শতাংশ আমাদের লক্ষ্য। আমরা ইশতেহারেও বলেছি স্বাস্থ্য খাতে আমরা ৫ শতাংশে যাবো।

আমীর খসরু বলেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ছাড়া আমরা বক্তৃতা দিতে পারবো কিন্তু কোন কিছু অর্জন হবে না। এটি সত্য যে, আপনাকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা্খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। আপনার দক্ষতা বাড়াতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে চ্যালেঞ্জ আছে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার বাজেটের নানা দিক এখনও খতিয়ে দেখছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। রোববার (২১ জুন) রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) বাজেট সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, সরকার ব্যাংকঋণ নেওয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। বিকল্প অর্থায়ন নিয়ে ভাবা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সরকার দায়িত্বে এলে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম রাজনৈতিক লোকজন দিয়ে পরিচালনা করতে চায়। নতুন সরকার ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে সে পথে হাঁটেনি। সরাসরি যেন সুবিধাভোগীরা টাকা পান, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বর্তমান বাজেটকে পারফেক্ট না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার বাজেটের নানা দিক এখনও খতিয়ে দেখছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। কর ও জিডিপি অনুপাত ভালো না। পুরো বিশ্বেই বর্তমানে বিদেশি ঋণ কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতির মধ্যে আমাদের বাজেট ঘোষণা করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আগের সরকার শুধু ৫০ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিলই রেখে গেছে। তার উপর মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে ব্যয় বেড়েছে। ফলে মানুষের পুরো অর্থনৈতিক কাঠামোকে আমরা নতুনভাবে দেখছি। এনবিআরের পলিসি বিভাগ আমলাদের দিয়ে চলবে না। সেখানে কর বিশেষজ্ঞরা দায়িত্ব পাবেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের এনবিআরকে সচল করতে হবে। অনেকে ট্যাক্স না দেয়াটাকে ভালো কিছু ভাবেন। এই মানসিকতা থাকলে দেশ এগোবে না। যে কোনো ব্যক্তি কোনো পণ্য রফতানি করতে চাইলেই বন্ড সুবিধা পাবেন। আর বন্ড না নিলে কর সুবিধা দেওয়া হবে ।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছর মোট বাজেটের ২ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করা হয়েছে। আমি বলবো না এটি কম হয়েছে। কিন্ত ৫ শতাংশ আমাদের লক্ষ্য। আমরা ইশতেহারেও বলেছি স্বাস্থ্য খাতে আমরা ৫ শতাংশে যাবো।

আমীর খসরু বলেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ছাড়া আমরা বক্তৃতা দিতে পারবো কিন্তু কোন কিছু অর্জন হবে না। এটি সত্য যে, আপনাকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা্খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। আপনার দক্ষতা বাড়াতে হবে।